অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আমি অপপ্রচার নিয়ে চিন্তিত না। কেউ আমার নামে মিথ্যা প্রচার করছে, মিথ্যা বলছে, সেটা নিয়ে আমি চিন্তিত না। কারণ আমাদের অনেক কাজ আছে।
তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের আকাঙ্ক্ষার নির্বাচন, সেই নির্বাচনে আমি জয়ী হয়ে আসছি আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে। কিন্তু সেই জয়ের মধ্যে- মানে জয় পাবার আগ পর্যন্ত অনেক চড়াই-উৎরাই আমাদের পার হতে হয়েছে। আমাদের প্রতিপক্ষ যারা ছিলেন তারা বিভিন্নভাবে কেন্দ্র দখল করার অনেক প্রচেষ্টা করেছেন।
রবিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের সহিংস ঘটনায় আহতদের দেখতে সকালে জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে যান তিনি।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেকগুলো কেন্দ্র তারা দখল করতে গেছেন, কিছু কেন্দ্রে তারা দখল করতেও সক্ষম হন সাময়িক সময়ের জন্য। এবং আমি আবার ধন্যবাদ জানাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আর্মড ফোর্সেস যারা টহলে ছিল সকলকে, কারণ তারা সকল দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছেন। যেই জায়গাগুলোতে আমাদের প্রতিপক্ষরা কেন্দ্র দখল করে ভোট চুরির চেষ্টা করেছিল। সেই জায়গাগুলোতে প্রথমে আমাদের কর্মীবাহিনীরা থামাতে চেষ্টা করে এবং তারপর আর্মড ফোর্সেস এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরা শক্তভাবে তাদেরকে প্রতিহত করে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পৌঁছাবার আগে বা আর্মড ফোর্সেস পৌঁছাবার আগে কিছু জায়গায় আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর ভীষণভাবে হামলা হয়।
ববি হাজ্জাজ বলেন, আমার কয়েকশ নেতাকর্মীরা আহত হয়েছে। আজকে আপনাদের প্রেস কনফারেন্স ডেকেছি, কারণ আমার একজন নেতা, একটা কেন্দ্রে এতটাই তাকে আহত করা হয়েছে যে উনি এখন মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন। সো এই যে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন, এইটা আমরা কখনোই কোনো ধরনের আইনি বিচার ছাড়া ছেড়ে দিতাম না, এখনও ছেড়ে দেব না।
তিনি বলেন, হায়দার আলী সাহেব মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন, এই প্রত্যেকটা ঘটনায় এখন আমরা আইনি পদক্ষেপে যাব। থানায় মামলা দেওয়া হবে।
গতকাল রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আদাবরে চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ববি হাজ্জাজ বলেন, গতকাল একটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। আমি ইমিডিয়েট আদাবর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসির সাথে কথা বলি, ডিসির সাথে কথা বলি। বলেছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এরেস্ট করেন। এবং গতকাল রাতেই মেইন আসামি রাসেলসহ আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের ওপর আক্রমণ হয়েছিল এমব্রয়ডারি মালিক সমিতির সাথে আজ বিকাল ৪টায় আমি মিটিং ডেকেছি, তাদের সাথে বসব।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের আরও জানিয়ে রাখি যে আদাবর থানা, মোহাম্মদপুর থানা, শেরেবাংলা নগর থানা এবং হাজারীবাগ থানা এই ৪টা থানার ওসিদের সাথে ইতিমধ্যে কথা বলেছি যে তাদের আরও পর্যাপ্ত পরিমাণে শক্তিশালী হতে। কারণ আর্মি ক্যাম্পগুলো সরে যাচ্ছে। শক্তিশালী হতে কী কী প্রয়োজন তারা আমাকে তালিকাভুক্ত করে জানিয়েছেন। তাদের লোকজন কত প্রয়োজন, গাড়ি কত প্রয়োজন, কী কী কত প্রয়োজন এগুলো ইতোমধ্যে আমরা কমিশনার অফিস এবং আইজিপির অফিসের সাথে কমিউনিকেট করেছি। ডিএমপি কমিশনার অফিস আমাকে নিশ্চিত করেছে যে, অনেকগুলো জিনিস তারা খুব শিগগিরই এই থানাগুলোতে পৌঁছে দিতে চেষ্টা করবেন এবং দেবেন। সো সেই জায়গা থেকে আমরা কাজ করছি, এক রাতে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে না। কিন্তু ঠিক করার জন্য যে আমরা নিয়মিত কাজ করছি, অক্লান্তভাবে কাজ করছি।

অনলাইন ডেস্ক 













