আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অপপ্রচার রোধে নির্বাচন কমিশনের শক্ত ভূমিকা চেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের শীর্ষ নেতারা দাবি করেছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে সোশ্যাল মিডিয়া, টেলিভিশন এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা ভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে।
বিএনপির পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, “বর্তমান সরকার এবং তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে, যা নির্বাচনী পরিবেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই এ ধরনের অপপ্রচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।”
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও অন্য নেতারা জানান, বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়া গ্রুপ এবং ইউটিউব চ্যানেলগুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে সন্ত্রাসী বা দুর্নীতিবাজদের নিয়ে মনগড়া তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য হুমকি হতে পারে। তারা বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি বিষয়টির সঠিকভাবে নজর না দেয়, তবে এটি ভোটারদের মধ্যে অস্থিরতা এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে।
বিএনপি নেতা আরও বলেন, “প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নানা ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করতে পারে। নির্বাচন কমিশন এই ধরনের গুজব রোধে নিজের দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং সরকারের পক্ষ থেকে যে কোনও ধরনের অপপ্রচার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে।”
এদিকে, নির্বাচন কমিশনও নির্বাচনে স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা সকল ধরনের অপপ্রচার ও গুজবের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিবে।
এছাড়া, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে, তারা প্রতিটি নির্বাচনী কেন্দ্রে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতিটি স্তরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং এই ধরনের অপপ্রচার যাতে নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত না করতে পারে, সে বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে।
তবে, বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের সঠিকতা নিয়ে আরও সুনির্দিষ্ট এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

জাতীয় 













