রাজধানীর একটি হোস্টেল থেকে জাতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (এনসিপি) নেত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সকালে ঘটলেও এখনও তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য জটিল হয়ে উঠেছে। নিহত নেত্রীর নাম রুমি রায়, বয়স ৩৮ বছর। তিনি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেত্রী এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে হোস্টেল কর্মচারীরা রুমির কক্ষে প্রবেশ করলে তার মরদেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর তারা দ্রুত পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে এবং তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে কোনও অস্পষ্টতা না পাওয়া গেলেও, মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে এখনও কোনও সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
এনসিপি নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, রুমি রায় দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন এবং তার আত্মহত্যার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাদের দাবি, এটি একটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে, এবং দলের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, নিহত নেত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং তদন্তে সকল দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে হত্যা বা আত্মহত্যার কোনো স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে বিষয়টি খোলাসা করার জন্য তদন্ত চলছে।
এদিকে, এনসিপি সদস্যরা রুমি রায়ের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য সরকারের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে এক শোক বার্তায় বলা হয়েছে, “এই ক্ষতি আমাদের সকলকে গভীরভাবে হতাশ করেছে, এবং আমরা চাই সত্য উন্মোচন হোক।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই হত্যার ঘটনা যদি রাজনৈতিক কারণে ঘটে থাকে, তবে তা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

রাজধানী 





















